জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
কী হতে চলেছে কাশ্মীরে? দলে দলে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ,

কী হতে চলেছে কাশ্মীরে? দলে দলে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ,

যুগ-যুগান্তর ডেস্ক :
ছবি- সংগৃহীত
হঠাৎ করে ভারত শাসিত জম্মু ও কাশ্বীর জুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হাজার হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে ভারত সরকার। অভূতপূর্ব এক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে গোটা উপত্যকা জুড়ে।
নজিরবিহীন এই সেনা মোতায়েনের খবরে খুব সাংঘাতিক খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে ভেবে শঙ্কিত কাশ্মীরীরা। পালানোর জন্য হাজার হাজার লোক বিমানবন্দর, বাস টার্মিনালে ভিড় করছেন।

হিন্দুদের পবিত্র অমরনাথ তীর্থ যাত্রা কাটছাঁট করে সবাইকে কাশ্মীর উপত্যকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পর্যটকদেরও দ্রুত ফিরে যেতে বলা হচ্ছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন বিমানবন্দর, বাস টার্মিনালগুলো লোকে লোকারণ্য।

২৮ হাজার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়তি ২৮ হাজার সদস্যকে কাশ্মীরে পাঠানো, রাজ্য ছেড়ে যেতে বলাসহ নানা কারণে শঙ্কিত মানুষ। কাশ্মীরে আসলে কী হচ্ছে তা বাইরে প্রকাশ করছে না ভারত সরকার। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে কাশ্মীরে আসলেই কী হচ্ছে? বা কী হতে যাচ্ছে?

এছাড়াও হয়তো সেখানে স্বাধীনতাকামী বিভিন্ন সংগঠনের বিরুদ্ধে শিগগিরই বিরাট ও ব্যাপক কোনো অভিযান শুরু করতে যাচ্ছেন নরেন্দ মোদির সরকার বলেও ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

আতঙ্ক ও বেশ ধোয়াশার মধ্যে রয়েছেন সেখানকার রাজনীতিবিদরাও। কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিকের সঙ্গে শুক্রবার গভীর রাতে রাতে এবং শনিবার দুপুরে দেখা করেছেন কাশ্মীরের প্রায় সব কটি রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা।

রাজ্যপাল বিবৃতি দিয়ে জানাচ্ছে যে, এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী হামলা মোকাবিলার আশঙ্কার কারণেই। এর সঙ্গে কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক রক্ষাকবচ সরিয়ে নেয়ার কোনো পরিকল্পনাই নেই।

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা বলেন, অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যেই হঠাৎ করে অমরনাথ যাত্রা বন্ধ করে দেয়া হলো, পর্যটকদের রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে বলা হলো। এগুলোর অর্থ বোঝা যাচ্ছে না! রাজ্যপালের কাছে সেটাই জানতে গিয়েছিলাম যে হচ্ছেটা কী?’

‘রাজ্যপাল বলছেন- গুজবে যাতে মানুষ কান না দেন। ৩৫ এ বা ৩৭০ ধারা নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের। কিন্তু আশা করবো কেন্দ্রীয় সরকার এটা সোমবার সংসদে স্পষ্ট করে সেটা জানাক।’

ভারতের এমন সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে পারে বলে মন্তব্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির। কয়েকদিন আগে তিনি বলেন, কাশ্মীর সমস্যার কোনো সামরিক সমাধান সম্ভব নয়। যতক্ষণ না সংলাপ শুরু হচ্ছে এবং তাতে পাকিস্তানকেও যুক্ত করা হচ্ছে, ততক্ষণ এসব করে কোনো লাভ নেই।

জম্মু ও কাশ্মীর পিপলস মুভমেন্টের প্রধান ও সাবেক আমলা শাহ ফয়সল বলেন, সেনাবাহিনীর শক্তিতে জোর করে সাময়িক শান্তি আসতে পারে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের জন্য কাশ্মীর নিয়ে আলোচনাই একমাত্র পথ।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com