জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
ঈদুল আজহার পরের দিন রাজধানী পার্ক গুলোতে ঘুরে দেখা যায়

ঈদুল আজহার পরের দিন রাজধানী পার্ক গুলোতে ঘুরে দেখা যায়

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
রাজধানীর পার্কে বিনোদনের তরুন-তরুনীর!!বিনোদন কাদের জন্য। আমাদের যুব সমাজ আজ আমাদের কি দিবে আনন্দ আর বিনোদন. শিক্ষা আর জাতি গঠন করবে আবার পারকে। আসুন আমরা ওদের ভাল সঙ্ঘ দেয় এবং সবসময় খবর রাখি।কোথায় যায় কোথায় থাকে এসব খবর রাখলে তারা হয়ত অসামাজিক কাজ থেকে বিরত থাকবে।রাজধানীর পার্ক গুলোতে তরুন-তরুনীর রাজধানীর পার্ক গুলোতে তরুন-তরুনীর : একটু দেখা, কিছুটা পরিচয়, মোবাইলে কথোপকথন আর এক সময় পার্কে বসে আড্ডা বা সিনেমা দেখা। আর এভাবেই একটি ছেলে বা মেয়ের সাথে সৃষ্টি হয় প্রেমের সর্ম্পক। পরবর্তীতে এই প্রেমের আড়ালে বিভিন্ন পার্ক বা থিয়েটারে বসে বাদাম খাওয়া, ছোলা খাওয়ার আড়ালে যা হচ্ছে তা রীতিমত পশ্চিমাদেরও হার মানিয়েছে বাংলাদেশ।প্রেম ভালোবাসার নামে কখনো কখনো যার কোন ভবিষ্যতনাই। ছেলেটির যোগত্যা অর্জনের বহু আগেই মেয়েটির পাড়ি জমাতে হয় শ্বশুরবাড়ি, অতঃপর সন্তানের জননী হয়ে দিব্বি সংসারি হয়ে যায়।আর পরিবারকে সে কখা না জানাতে পেরে অনেকেই বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। মূলত, এই প্রেমের আড়ালে চলছে পূরণ।নিজেদের শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য মোটামুটি একটি প্রেমিক বা প্রেমিকা হলেই হয়। যার মন বা আচরণ ভালো হোক না হোক দেহটা তার সুন্দর হলেই আজকাল প্রেম হয়ে যাচ্ছে।রাজধানীর বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ও পার্ক ঘুরে দেখা গেছে প্রেমের নামে তারা লুটোপুটি খাচ্ছে একজন আরেকজনের উপরে। সন্ধ্যা বা বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রমনা পার্ক বা আশপাশ এলাকায় গেলে দেখা যায় হরেক রং বেরঙের কাপড় পরে তারা বেড়িয়েছে শুধু প্রেম করার জন্য। আর প্রেম ভালোবাসার নামে কখনো প্রকাশ্যেই একে অপরকে জড়িয়েচুমু খাচ্ছে আলিঙ্গন করছে।ভদ্রলোকদের দেখে হাত দিয়ে চোখ ঢেকে চলাফেরা করতেও দেখা গেছে। দিনের আলোতেই এসব এলকায় ভদ্রলোকদের জন্য চলাফেরায় লজ্জায় পড়তে হয় আর সন্ধ্যার পরতো ভাবাই যায় না কি হয় এখানে।প্রেমের নামে সাময়িক সুখ পেতে জলাঞ্জলি দিচ্ছে নিজেদের আত্মসম্মান।শুধু তাই শারীরিক সেই ‘নষ্টামি’ সুখ স্মৃতি ধরে রাখতে। সমাজের ছোট বড় সব বয়সের ছেলে মেয়েরা দেখতে থাকে অতি বিষয়টি ঘৃণার নয় লজ্জার হলেও এসব দেখার যেন কেউ নেই । এমন কি প্রেমিক প্রেমিকাদের হাতে তৈরী করা বিদেশি পর্ণো। তবে আধুনিক আর মোবাইলে মেমোরি প্রযুক্তি আসাতে কেউ আর তেমন পর্নো সিডি ভিডিও কেনে না বলেও জানান দেকানদাররা। মোবাইলে পর্নো ভিডিও নেয়া কাস্টমারের মধ্যৈ সব বয়সী থাকলেওএর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে তরুণরাই বেশি বলেও জানা যায়। এছাড়াও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেমিক প্রেমিকাদের দিয়ে তৈরি করা হাজার হাজার পর্নো ভিডিও পাওয়া গেছে। কয়েকটি জেলা কলেজেরও নাম বিভিন্ন সূত্র ও তথ্য মতে প্রাপ্ত পর্নো ভিডিও গুলো যাচাই করে দেথা গেছে, বেশিরভাগক্ষেত্রেই ভিডিওতে ছাত্রীরা নিজ ইচ্ছেই । বরং মেয়েটির আতৎচিৎকার শোনা যায় মিনিটের কথা বলে প্রেমিকের বাড়ীতে আনা হয় ।তারপরে জোড় করে নগ্ন করে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করা হয় ।মেয়েটি নগ্ন ভিডিও করা থেকে রেহাই পেতে প্রেমিকের কথা মতো শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় । যদিও । তার মানে এই সব ভিডিও করা মেয়েদের কে ব্ল্যাকমেইল অথবা ফ্রি সেক্স করার জন্য ।তবে দেশের বিভিন্ন দোকান আর বিভিন্নস্থানে পর্নো ভিডিও হাত বাড়ালেই পাওয়া গেলেও প্রশাসনের এই বিষয়ে কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। বর্তমানে এই তরুণ প্রজন্ম মাদকের দিকেও ক্রমে ক্রমে বেশি পরিমানে আসক্তি হয়ে পরছে। কতিপয় সমাজকর্মীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, দেশের এই মাদকাশক্তি আর পর্নো ভিডিও যে হারে ছড়াচ্ছে তাতে দেশের আগামীর প্রজন্মে ভবিষৎ অন্ধকার বলে মনে করেন। আর সন্তানের লেখাপড়া ও তার বন্ধুবান্ধব সকল বিষয়ে বাবা মা কে খেয়াল রাখার কথা বলেন।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com