জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
সখীপুরে ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার, অভিযুক্তরা পলাতক

সখীপুরে ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকার, অভিযুক্তরা পলাতক

মোঃ রাসেল :টাঙ্গাইলের সখীপুরে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষক হাফেজ নাজমুল ইসলামের (৩৫) বিরুদ্ধে ১০ বছরের এক শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বেতুয়া পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত হাফেজ নাজমুল ইসলাম ও মদদদাতা ওই মসজিদের ঈমাম হাফেজ আজিজুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন। এ ব্যাপারে ২৩ আগস্ট শুক্রবার রাতে ওই মসজিদের সভাপতি মো. ওদুদ হোসেন বাদী হয়ে হাফেজ নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারেরর অভিযোগে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন। শনিবার সকালে বলাৎকারের শিকার ও শিশুকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ছাত্র অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। বলাৎকারের শিকার ওই ছাত্রের বাবা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। জানা যায়,উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের বেতুয়া পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদরাসায় মুয়াজ্জিন ও মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার রায়থুরা গ্রামের ওসমান গণির ছেলে হাফেজ হাফেজ নাজমুল ইসলাম (৩৫)। গত ৮ আগস্ট রাতে খাবার শেষে ফুলবাড়িয়া উজানপাড়া এলাকার ১০ বছরের ওই শিক্ষার্থীকে সঙ্গে নিয়ে রাতে ঘুমাতে জান হাফেজ নাজমুল ইসলাম। এক পর্যায়ে রাত ১২টার দিকে ওই শিশু শিক্ষার্থীর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক বলাৎকার করে হাফেজ নাজমুল ইসলাম। ওই শিক্ষার্থীকে এ ঘটনা প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে ১০ আগস্ট সকালে ওই মসজিদের সভাপতি ওদুদ হোসেনের কাছে বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে যায়। ঈদের নামাজ শেষে ঘটনার মদদদাতা মসজিদের ঈমাম হাফেজ আজিজুল ইসলামও পালিয়ে যান। পরে শিশুটি তার সহপাঠি ও পরিবারের লোকজনের কাছে বলাৎকারের ঘটনা খুলে বললে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পান। গত ২৩ আগস্ট ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. ওদুদ হোসেন বাদী হয়ে এ ব্যাপারে সখীপুর থানায় মামলা করেন। এ ব্যাপারে মসজিদ কমিটির সভাপতি ও মামলার বাদী মো. ওদুদ হোসেন বলেন- এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা,সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন- শিশু বলাৎকারের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বলাৎকারের শিকার শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দায়ীদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com