জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
জনসন সমালোচিত প্রেসিডেন্টের টেবিলে পা তুলে

জনসন সমালোচিত প্রেসিডেন্টের টেবিলে পা তুলে

আন্তর্জাতিক ডেস্কদ:

চলমান ব্রেক্সিট সংকট নিরসন করতে নেমে এক মহা বিড়ম্বনায় পড়েছেন সদ্য খমতায় আসা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। যার দারস্ত হলে একটু আশ্বাস পাওয়া যাবে, ‘বেহুঁশ’ হয়ে মুহূর্তের মধ্যে তার কাছেই যাচ্ছেন। যদিও ব্রেক্সিট সফল করতে এখন পর্যন্ত ভালো কোনো ইঙ্গিত পাননি তিনি; তারপরও থেমে নেই তার কাজ। অবশেষে বৈঠক করতে গিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোর কাছে। যদিও সেখানে সমাদরের কোনো ঘাটতি না থাকলেও ব্রেক্সিটের পক্ষে পাননি কোনো সম্মতি। বরং নিজের ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ ভুলের জন্য পেয়েছেন ব্যাপক সমালোচনা। বিশ্বজুড়ে জুটছে গালমন্দসহ তিরস্কার।

এ দিকে সম্প্রতি প্যারিসের ‘এলিসি প্যালেসে’ বৈঠকে বসেছিলেন ইইউভুক্ত দুইদেশের প্রধানমন্ত্রী-প্রেসিডেন্ট। যেখানে প্রায় সামনাসামনি দুইজন। মাঝখানে কেবল একটি মাত্র টেবিল। কথা বলতে বলতে আচমকা টেবিলটিতে পা তুলে ফেলেন জনসন। মুহূর্তের মধ্যে দৃশ্যটি ক্যামেরা বন্দি করে ফেলেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। এখন সে ঘটনার একটি ছবির সূত্র ধরে বিষয়টি ফরাসি প্রেসিডেন্টকে ‘তাচ্ছিল্যে’র জন্য করা হয়েছে বলে ব্যাপক ‘গালমন্দ’ ভরা সমালোচনায় ভুগছেন জনসন।

যদিও বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, ম্যাক্রোর সঙ্গে মজা করছিলেন নবাগত এই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তীতে একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী জনসন ফটোসেশনের সময় তার হোস্টের সঙ্গে কথার ছলে মজা করে সামনে রাখা টেবিলে পা তুলে ফেলেন; তবে মুহূর্তের মধ্যেই তিনি আবার তা নামিয়েও দেন। ভিডিওতে তখন তাদের বেশ হালকা মেজাজেই দেখা গেছে।

অপর দিকে বৈঠক সূত্রের দাবি, জনসনের অসুবিধা হচ্ছে ভেবে তার পা নাকি টেবিলের উপরে রাখার জন্য আগেই ম্যাক্রো তাকে কি পরামর্শ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ব্রিটেনের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমও বিষয়টির সঙ্গে একমত পোষণ করে। তাদের দাবি, টেবিলটি পা রাখার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে; ফরাসি প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে এমন পরামর্শ পাওয়ার পরই জনসন কাজটি করেছেন।।

সে যত যা-ই হোক, সমালোচনা কিন্তু ১০নং ডাউনিং স্ট্রিটের নতুন অতিথির পিছু ছাড়ছে না। জনসনকে ‘দোষারোপ’ করে একজন ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা বলেন, ‘আচার-আচরণের দিক থেকে জনসন ভালো নয়। আপনারা চিন্তা করে দেখেন, যদি কোনো বিদেশি প্রধানমন্ত্রী বাকিংহাম প্রাসাদে এসে এমন আচরণ দেখাতেন, তখন ব্রিটিশ প্রশাসন কতটাই না ক্ষুব্ধ হতো।বিরোধী অন্য একজন পার্লামেন্ট সদস্যের দাবি, জনসন কোনো ভালো ব্যবহার দেখাতে পারেননি। আমি হতবাক, এবার ব্রিটিশ রানি কীভাবে বিষয়টি দেখবেন!’

বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় এক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরপরই প্রথম কোনো বিদেশ সফর হিসেবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ফ্রান্সে সফরে যান জনসন। যেখানে তিনি আলোচিত ব্রেক্সিট বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের হওয়ার সময়সীমা ইস্যুতে আলোচনা করেন। যদিও শেষ পর্যন্ত কোনো সাড়া না পেয়েই শেষ হয় সেই বৈঠক।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com