জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
আফগানদের হারানো কঠিন হবে না ,আমাদের অভিজ্ঞতা বেশি

আফগানদের হারানো কঠিন হবে না ,আমাদের অভিজ্ঞতা বেশি

ক্রীড়া ডেস্ক:

ব্যর্থ বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কার মাটিতে হোয়াইটওয়াশ। কোণঠাসা হয়ে আছে বাংলাদশে জাতীয় ক্রিকেট দল। সবকিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে চায় টাইগাররা। আগামী মাসেই শুরু হবে সাকিবদের নতুন মিশন। ঘরের মাঠে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্ট ও ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলবে ডোমিঙ্গোর শিষ্যরা। আসন্ন এই সিরিজ নিয়ে অনুশীলনে চরম ব্যস্ত সময় পার করছে টাইগাররা। নতুন দুই কোচের অধীনে সকাল থেকেই চলছে কঠোর পরিশ্রম। একদিন আগে ছুটি কাটিয়ে ফেরা টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি ফরমেটের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান সেই সকাল আটটায় এসে শুরু করেছেন জিম। এরপর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের সেন্টার উইকেটে ব্যাট করেছেন ঘণ্টাখানেক।

শুধু অধিনায়ক সাকিবই নন। অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছে প্রায় সবাই। কেউ ব্যাট হাতে কেউ-বা বল হাতে নেমে পড়েছেন নিজেকে ঝালিয়ে নিতে। প্রধান কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো, ফিল্ডিং কোচ রায়ান কুক ও পেস বোলিং কোচ শার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট বিশেষ নজর রেখেছেন তাদের প্রতি। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট। এরপর আফগান-জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে ত্রিদেশীয় টি-টুয়েন্টি সিরিজ। দীর্ঘ ছয় মাস পর আবারও টেস্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ দল। আফগারদের বিপক্ষে এক মাত্র টেস্ট ম্যাচটায় জয় চাই। টেস্ট ক্রিকেটের নতুন সদস্য দলটির কাছে যদি হেরে যায় তাহলে মুখ লুকানোর জায়গা থাকবে না টাইগারদের।

এ দিকে, গতকাল অনুশীলের সময় আঙুলে চোট পান স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাই আজ অনুশীলন করেননি তিনি। অনুশীলন না করলেও মাঠে এসেছেন সতীর্থদের দেখতে। আসন্ন সিরিজ নিয়ে কথা বলেছেন গণমাধ্যমের সঙ্গে। মিরাজ বলছেন, ‘আঙুল আগের থেকে অনেকটা ভালো। আশা করছি আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। এরপর অনুশীলন শুরু করতে পারব।’

তা কেমন চলছে প্রস্তুতি? মিরাজ খুশি সতীর্থদের কঠোর পরিশ্রম দেখে, ‘আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে সবার পরিশ্রম দেখে। আল্লাহর রহমতে ভালো কিছু হবে। দলের সিনিয়র যারা আছে তারা অনেক পরিশ্রম করে। সাকিব ভাইকে দেখেছি বিশ্বকাপ চলাকালীন অনেক পরিশ্রম করেছে। মুশফিক ভাই, রিয়াদ ভাই ওনাদের কাছে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।’

টেস্ট ক্রিকেটে আফগানিস্তান কেমন করবে বলে মনে হচ্ছে? তাদের কতটা ডমিনেট করতে পারবে বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নে মিরাজ বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই আমরা ডমিনেট করে খেলার চেষ্টা করব। সে রকম আমরা কাজ করছি এবং আমরা ওদের থেকে অনেক এগিয়ে থাকব। তারপরও খেলায় হার-জিত থাকবে। ভালো সময় খারাপ সময় থাকবে, এটাই মেনে নিতে হয়। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি যাতে আমরা প্রমাণ করতে পারি, আমরা ওদের থেকে ভালো দল। শেষ কয়েক বছরে যে ক্রিকেট খেলেছি ওইভাবেই আমরা খেলার চেষ্টা করব।’

আফগানিস্তানের মূল শক্তির জায়গা হলো স্পিন। বাংলাদেশের কন্ডিশন ওদের জন্যও সমান সহায়ক বলে মনে করা হলেও মিরাজ বলেন, ‌‘একটা জিনিস দেখেন, আমাদের বোলারদের কিন্তু অনেক অভিজ্ঞতা আছে। বিশেষ করে সাকিব ভাই। ১৩-১৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে। সফল খেলোয়াড়। তাইজুল ভাই একটা উইকেট পেলে একশ উইকেট হয়ে যাবে। আমারও ১৩-১৪টা টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সব মিলে ওদের থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি।’

‘আমি বলব, ওয়ানডে আর টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে টেস্ট ক্রিকেটের অনেক পার্থক্য আছে। যেমন ওরা ওয়ানডে, টি-টুয়েন্টিতে রান সেভ দিয়ে বল করে এর জন্য ব্যাটসম্যান চার্জ করে খেলে। টেস্ট ক্রিকেটে তো ও রকম না যে জোরে মারা বা চার্জ করে ক্রিকেট খেলা। যতক্ষণ ভালো বল করবে ততক্ষণ সারভাইব করবে, একটা বল খারাপ করলে ওইটা মারবে এটাই টেস্ট ক্রিকেট।’ যুক্ত করেন মিরাজ।

নিজেদের মাঠে খেলা। সেটা ঢাকা বা চট্টগ্রামে হলেও এ নিয়ে ভাবছেন না এই অলরাউন্ডার। মিরাজ বলেন, ‘মিরপুর কিংবা চট্টগ্রামে যেখানেই খেলা হোক না কেন দুইটাই আমাদের হোম কন্ডিশন। আমরা জানি এখানে আমাদের কীভাবে খেলতে হবে। হ্যাঁ ওরাও খেলেছে তবে ওয়ানডে বা টি-টুয়েন্টি। টেস্ট ক্রিকেট খেলেনি। আমরা চেষ্টা করব আমাদের কন্ডিশনটা আমাদের কাজে লাগানোর জন্য।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com