জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিন স্বারক অবমুক্ত

মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিন স্বারক অবমুক্ত


নিজস্ব প্রতিবেদক :
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তিনটি স্মারক অবমুক্ত করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার
মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে তিনটি স্মারক অবমুক্ত করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্মারক হিসেবে ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটা কার্ড অবমুক্ত করেছে ডাক অধিদফতর।
রোববার সকালে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার সরকারি বাসভবনের দফতরে স্মারকগুলো অবমুক্ত করেন। এসময় মন্ত্রী এ সংক্রান্ত একটি সিলমোহর ব্যবহার করেন।

অবমুক্ত হওয়া ১০ টাকা মূল্যমানের ডাকটিকেট, ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম ও টাকা মূল্যমানের ডাটাকার্ড স্মারক আজ থেকে ঢাকা জিপিও’র ফিলাটেলিক ব্যুরো এবং পরে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

স্মারকগুলো অবমুক্তের সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভাষা-একটি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান হাতিয়ার। এটি শুধু চিন্তা-চেতনা, মনন ও মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমই নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশ ও সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জীবনবোধ। হাজার বছর ধরে বাংলা ভাষা প্রকাশ করে যাচ্ছে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব ও স্বকীয়তা। একুশের পথ ধরেই বাংলার স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অনন্য অবিস্মরণীয় দিন। এদিন ভাষার দাবিতে প্রথম হরতাল পালিত হয়। এটাই হলো পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম হরতাল। হরতালের নেতৃত্ব দেন শেখ মুজিবুর রহমান। ওইদিন তিনি পুলিশি নির্যাতনের শিকার হন এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়। এটি ছিল পাকিস্তানে কোনো প্রথম রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনা। সেই থেকে শুরু করে বাংলাদেশ নামক বাংলা ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত একক নেতৃত্ব ছিল জাতির পিতার।।

তিনি আরো বলেন, একুশ মানে মাথা নত না করা; একুশ মানে সামনে এগিয়ে যাওয়া। মন্ত্রী বলেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বাঙালি তরুণদের আত্মদান শুধু বাংলাদেশ বা বাঙালির নয়, তা এক বিশ্বজনীন ঘটনা। বলা চলে, ১৯৪৮ সালের মার্চে সীমিত পর্যায়ে যে আন্দোলন শুরু হয় তার চরম প্রকাশ ঘটে ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে। এরই ধারাবাহিকতায় অভ্যূদয় ঘটে বাঙালির ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র বাংলাদেশের। ভাষা আন্দোলনের পর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দান, সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু, সংসদের দৈনন্দিন কার্যাবলী বাংলায় চালু প্রসঙ্গে আইন সভায় গর্জে ওঠেন এবং মহানায়কের ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিবুর রহমান।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ১৯৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি জানান বঙ্গবন্ধু। ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় । এর পেছনে বঙ্গবন্ধুর বিশেষ অবদান রয়েছে।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com