জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
‘গণহত্যা’ ঘোষণা দিল কানাডা উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে

‘গণহত্যা’ ঘোষণা দিল কানাডা উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর চীনের আচরণকে গণগত্যা হিসেবে ঘোষণা করেছে কানাডার হাউজ অব কমন্স।
সোমবার দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ২৬৬-০ ভোটের বিপুল ব্যবধানে এই ঘোষণা পাস হয়।

প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা ভোট দানে বিরত থাকলেও ক্ষমতাসীন লিবারাল পার্টির আইনপ্রণেতাদের বড় একটি অংশ এবং সকল বিরোধী দলগুলো এই ঘোষণার পক্ষে ভোট দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পর কানাডা হল দ্বিতীয় দেশ যারা উইঘুরদের প্রতি চীনের আচরণকে গণহত্যা বলে ঘোষণা দিল।

কানাডার আইনপ্রণেতারা একটি সংশোধনী পাসের জন্যও ভোট দিয়েছেন। ‘চীন সরকার যদি গণহত্যা চালিয়ে যায়’ তাহলে ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক বেইজিং থেকে সরিয়ে নিতে কানাডা যেন আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটিকে আহ্বান জানায় সেই অনুরোধ সংশোধনীতে করা হয়েছে।

জিনজিয়াংয়ে উইঘুরদের প্রতি চীন সরকারের আচরণকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিতে জাস্টিন ট্রুডো বরাবর দ্বিধাগ্রস্ত রয়েছেন। তিনি পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত বোঝাময়’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আরও খতিয়ে দেখা দরকার।

সোমবারের ভোটাভুটির দিন ট্রুডোর মাত্র একজন মন্ত্রী- পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক গারনেউ সংসদে হাজির হয়েছিলেন। হাউস অব কমন্সকে তিনি বলেন, কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে তিনি ভোট দেয়া থেকে বিরত রয়েছেন।

ভোট শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলের নেতা এরিন ও’টুল বলেন, এই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি ‘একটি পরিষ্কার ও দ্ব্যর্থহীন বার্তা দেয়ার জন্য যে আমরা মানবাধিকার ও মানবাধিকারের মর্যাদার পক্ষে রয়েছি এমনকি যদি এর ফলে কিছু অর্থনৈতিক সুযোগ হারাই তবুও।’

এ সপ্তাহের শেষে কানাডায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত কং পেইউ বলেছিলেন, কানাডার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ‘চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে’।

তিনি বলেন, ‘আমরা এত তীব্র বিরোধীতা করছি কারণ এটি সত্য নয়। জিনজিয়াংয়ে গণহত্যা ধরণের কিছুই ঘটছে না।’

চীনে প্রায় দেড় কোটি উইঘুর মুসলমানের বাস। জিনজিয়াং প্রদেশের জনসংখ্যার ৪৫ শতাংশই উইঘুর মুসলিম। এই প্রদেশটি তিব্বতের মতো স্বশাসিত একটি অঞ্চল। বিদেশি মিডিয়ার সেখানে প্রবেশের ব্যাপারে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। কিন্তু গত বেশ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সূত্রে খবর আসছে, সেখানে বসবাসরত উইঘুরসহ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের ওপর ব্যাপক নিপীড়ন চালাচ্ছে বেইজিং।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com