জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
সিলেটে নতুন কারাগারের উদ্বোধন আজ

সিলেটে নতুন কারাগারের উদ্বোধন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক,

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সাত বছর পর নবনির্মিত সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই হাজার বন্দির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কারাগারটির উদ্বোধন করেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সকাল ১০টায় সিলেট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে কারগারটির উদ্বোধন করা হবে।

সিলেটে নতুন কারাগার নির্মাণ ও স্থানান্তরের প্রকল্প একনেকে পাস হয় ২০১০ সালে। এরপর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের চেষ্টায় সদর উপজেলার বাদাঘাট চেঙ্গেরখাল নদীর তীরে ২০১১ সালে ২২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন এই কারাগার নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

১৭৮৯ সালে সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থল ধোপাদিঘীর পাড়ে ২৪ দশমিক ৬৭ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল সিলেট জেলা কারাগার। ১৯৯৭ সালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রূপান্তরের পর এই কারাগারের ধারণ ক্ষমতা দাঁড়ায় ১ হাজার ২১০ জনে। কিন্তু বর্তমানে এই জেলে বন্দি রয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

এ অবস্থায় ২০১১ সালের আগস্টে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন সিলেট নগরী থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরবর্তী সিলেট সদর উপজেলার বাদঘাটে ৩০ একর জমির ওপর অত্যাধুনিক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল জানান, উদ্বোধনী দিনকে স্মরণীয় করতে কারাগারে আলোকসজ্জ্বা করা হয়েছে। উদ্বোধনের পর ডিসেম্বর নাগাদ নতুন কারাগারে কিছু বন্দিকে স্থানান্তর করা হবে।

নতুন কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের স্থানান্তর করা হবে বলে জানান তিনি। নতুন কারাগার হলেও ২০০ বছরের পুরাতন সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারটিও ব্যবহার করা হবে বলে জানান আব্দুল জলিল।

এই জেল সুপার জানান, নবনির্মিত এই কারাগারে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ১০০ শয্যার পাঁচ তলাবিশিষ্ট চারটি হাসপাতাল, স্কুল ও লাইব্রেরি ভবন ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মকর্তাদের জন্য একশ ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

প্রায় দুই হাজার বন্দির ধারণ ক্ষমতার এই কারাগারে পুরুষ বন্দিদের জন্য ৬ তলাবিশিষ্ট ৪টি ভবন এবং নারী বন্দিদের জন্য দ্বিতলবিশিষ্ট দুইটি ও ৪ তলা একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

রান্নার কাজের জন্য এক তলাবিশিষ্ট ৫টি ভবন রয়েছে। স্টোর রুম বা খাবার মজুত রাখার জন্য ৪টি ভবন রয়েছে। কারাগারে দ্বিতল বিশিষ্ট রেস্ট হাউসও করা হয়েছে একটি।

আরও রয়েছে চার তলাবিশিষ্ট একটি ডে কেয়ার সেন্টার, মসজিদ, স্কুল ও লাইব্রেরি রয়েছে। তাছাড়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন, ক্যান্টিন, বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতকার কক্ষ এবং প্রশাসনিক কার্যালয় রয়েছে নবনির্মিত এ কারাগারে।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com