জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
বিমানে স্তন্যপান করিয়ে শিশুর কান্না থামালেন সেবিকা

বিমানে স্তন্যপান করিয়ে শিশুর কান্না থামালেন সেবিকা

যুগ-যুগান্তর ডেস্ক :
সংগৃহীত ছবি
মাঝ আকাশে খিদের জ্বালায় কাঁদছে শিশুটি। চেষ্টা করেও থামাতে পারছেন না মা। তাই এগিয়ে এলেন বিমানসেবিকা। পরম স্নেহে শিশুটিকে কোলে তুলে নিলেন তিনি। স্তন্যপান করিয়ে তাকে শান্ত করলেন। ফিলিপিন্স এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে সম্প্রতি এমন ঘটনাই ঘটেছে। যা সামনে আসার পর ওই বিমানসেবিকাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে দিয়েছেন সকলে। মানবিকতার প্রতিমূর্তি বলেও কেউ কেউ উপমা দিয়েছেন তাঁকে।

জানা যায়, গত ৬ নভেম্বরের সকালে রওনা দেয় বিমানটি। তাতে বাচ্চা নিয়ে উঠেছিলেন এক মহিলা। দুধের বোতল নিয়েই উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু উড়ানের কিছু ক্ষণের মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। ফলে কাঁদতে শুরু করে বাচ্চাটি।

চেষ্টা করেও তাকে থামাতে পারেননি ওই মহিলা। তখনই এগিয়ে আসেন বছর চব্বিশের বিমানসেবিকা প্যাট্রিশা অরগ্যানো। কয়েক মাস আগে তিনি নিজেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন, দুধ শেষ হয়ে গিয়েছে। বাচ্চাটিকে থামানোর আর কোনও উপায় না দেখে তিনি নিজে স্তন্যপান করানোর সিদ্ধান্ত নেন।
সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন আর এক বিমানসেবিকা। দু’জন মিলে ওই মহিলা ও তাঁর শিশুকে বিমানের মধ্যেই এক কোণে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে স্তন্যপান করান প্যাট্রিশা। তাঁর এই পদক্ষেপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি। তাতে মুহূর্তের মধ্যে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি।

তবে আহামরি কিছু করেছেন বলে মানতে নারাজ প্যাট্রিশা। এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। হঠাৎ কাঁদতে শুরু করে বাচ্চাটি। এমনভাবে কাঁদছিল যে থাকতে পারিনি। তাই নিজেই স্তন্যপান করানোর সিদ্ধান্ত নেই। কয়েকমাস আগে আমার নিজেরও সন্তান হয়েছে। তাকে তো স্তন্যপান করাই। তাই তেমন অস্বস্তি হয়নি।’’

ওই শিশুটির মা প্যাট্রিশাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। শিশুটিকে কোলে নিয়ে তোলা একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন প্যাট্রিশাও।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com