জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি’র কঠোর সমালোচনায় মাহাথির

রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চি’র কঠোর সমালোচনায় মাহাথির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর চালানো বর্বর নির্যাতনকে সমর্থন করায় দেশটির নোবেল জয়ী নেত্রী অং সান সু চি’র কঠোর সমালোচনা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।

মাহাথিরের দাবি, শান্তিতে নোবেল জয়ী সু চি সেনাবাহিনীর এই অমার্জনীয় নিষ্ঠুরতার ব্যাপারে বরাবরই আত্মপক্ষ সমর্থন করে এসেছেন। খবর স্টার অনলাইনের।

মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার এবং সু চি’র ভূমিকা’ শিরোনামে বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহাথির বলেন, তারা আসলে এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাদের হত্যা করছে এমনকি গণহত্যা চালাচ্ছে’। সু চি বরাবরই এ বিষয়ে প্রতিবাদ না করে বরং অনৈতিকতাকেই সমর্থন দিয়ে আসছেন।

এ বছরের আগস্টে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা রাখাইন রাজ্যের লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে।

যদিও মিয়ানমার সেনাবাহিনী সরকার এবং সেনাবাহিনী বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সু চি এর আগে বলে এসেছেন যে তার বেসামরিক সরকার এই সংকটের দায় নেবে না। কারণ সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেয়া আছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো দ্রুত সংকট মোকাবেলার ব্যাপারে মিয়ানমার সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে আসছে।মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর সেনাবাহিনীর চালানো বর্বর নির্যাতনকে সমর্থন করায় দেশটির নোবেল জয়ী নেত্রী অং সান সু চি’র কঠোর সমালোচনা করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।

মাহাথিরের দাবি, শান্তিতে নোবেল জয়ী সু চি সেনাবাহিনীর এই অমার্জনীয় নিষ্ঠুরতার ব্যাপারে বরাবরই আত্মপক্ষ সমর্থন করে এসেছেন। খবর স্টার অনলাইনের।

মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার এবং সু চি’র ভূমিকা’ শিরোনামে বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

মাহাথির বলেন, তারা আসলে এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাদের হত্যা করছে এমনকি গণহত্যা চালাচ্ছে’। সু চি বরাবরই এ বিষয়ে প্রতিবাদ না করে বরং অনৈতিকতাকেই সমর্থন দিয়ে আসছেন।

এ বছরের আগস্টে জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট জাতিগত নিধন ও গণহত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা রাখাইন রাজ্যের লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে প্রতিবেশি দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য করে।

যদিও মিয়ানমার সেনাবাহিনী সরকার এবং সেনাবাহিনী বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সু চি এর আগে বলে এসেছেন যে তার বেসামরিক সরকার এই সংকটের দায় নেবে না। কারণ সাংবিধানিকভাবেই সেনাবাহিনীকে অনেক ক্ষমতা দেয়া আছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো দ্রুত সংকট মোকাবেলার ব্যাপারে মিয়ানমার সরকারকে চাপ প্রয়োগ করে আসছে।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com