জরুরি নোটিশ:
যুগযুগান্তর পত্রিকার জন্য সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় সংবাদ দাতা আবশ্যক।  মোবা: 01842268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com
হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ

দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আটকে থাকা চাল খালাসের দাবিতে ভারতীয় ট্রাক চালকদের চলমান আন্দোলন নিরসনে ভারত-বাংলাদেশের আমদানি রফতানিকারক, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও চালকদের নিয়ে বৈঠক কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। আটকে থাকা আমদানিকৃত চালগুলো দ্রুত খালাসের দাবিতে ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারীদের বাধার মুখে দ্বিতীয় দিনের মত কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে হিলি স্থলবন্দরের অভ্যন্তরের কার্যক্রম চালু রয়েছে।

এরপরেও বৃহস্পতিবার থেকে আমদানি-রপ্তানী চালু করার চেষ্ঠা করা হচ্ছে বলে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন জানান।

আজ বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে হিলি সীমান্তের শূন্যরেখার কাছে বিজিবির চেকপোস্টের পাশে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কোনো ধরনের সমাধান ছাড়াই বৈঠকটি শেষ হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষে ভারতের হিলি এক্সপোর্টার অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত সাহা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গনেশ সাহা, সিএন্ডএফ দিবাকর বিশ্বাস, রফতানিকারক অজিত কুন্ড, ভারতের হিলি পরিবহন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চন্দ্র সাহাসহ ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেন।

বাংলাদেশের পক্ষে বাংলা হিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট আ্যসোসিয়েশনের সভাপতি কামাল হোসেন রাজ, আজিজ আহম্মেদ, আমদানিকারক শহিদ উদ্দিন, বাবলুর রহমান, মামুনুর রশীদসহ ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। ওই বৈঠকে বাংলাদেশে আটকে থাকা ভারতীয় ট্রাক চালকদের ১০জন নেতাও অংশ নেন।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, ৭ জুন বাজেটের পর যেসব চাল আমদানি করা হবে সেসব চাল আমরা ২৮ ভাগ শুল্কেই বের করতে রাজি। তবে বাজেটের আগে যে সব চাল আমদানি করেছি সেগুলো কেন আমরা ২৮ ভাগ শুল্কে ছাড় করবো। তাই আমরা পণ্য ছাড়করন বন্ধ রেখে কাস্টমস এবং এনবিআরের কাছে আবেদন করেছি। এছাড়াও আমরা চালগুলো ভারতীয় ট্রাক থেকে খালাস করে বন্দরে রাখতে চাই কিন্তু বন্দরের শেডে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় সেটিও সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের ২ ভাগ শুল্কে আমদানি করা প্রায় ৮ হাজার টন চাল বন্দরে আটকা পড়েছে।

এ ব্যাপারে হিলি স্থলবন্দরের পানামা পোর্ট লি. এর ব্যবস্থাপক অসিত কুমার স্যান্নাল জানান, শুল্ক জটিলতার কারণে প্রায় এক মাস ধরে ২০৯টি ট্রাকে প্রায় ৮ হাজার টন চাল আটকা পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব খালাস না হওয়ায় বন্দরে পণ্যজট সৃষ্টি হচ্ছে। তবে স্থলবন্দরের অভ্যন্তরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

যুগযুগান্তর পত্রিকা. নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Jugjugantor24.com  
Design & Developed BY ThemesBazar.Com